মলত্যাগের সংখ্যা কমে যাওয়া: সপ্তাহে ৩ বারের কম মলত্যাগ হওয়া।
শক্ত বা শুষ্ক মল: মল অতিরিক্ত শক্ত, কড়া বা ছোট ছোট টুকরো (ছাগলের মলের মতো) হওয়া।
অতিরিক্ত চাপ দিতে হওয়া: মলত্যাগের সময় অনেক বেশি কষ্ট বা চাপ (Strain) দিতে হয়।
পেট পরিষ্কার না হওয়া: মলত্যাগের পরও মনে হওয়া যে পেট পুরোপুরি পরিষ্কার হয়নি বা ভেতরে কিছু রয়ে গেছে।
মলদ্বারে বাধা অনুভব: মনে হওয়া যেন মলদ্বারে কিছু আটকে আছে, যার কারণে মল বের হতে পারছে না।
পেটে অস্বস্তি ও ব্যথা: পেট ফেঁপে থাকা, গ্যাস হওয়া এবং পেটে মোচড় দিয়ে ব্যথা করা।
ক্ষুধামন্দা ও ক্লান্তি: খাবারে অরুচি হওয়া এবং শরীর ম্যাজমেজ করা বা ক্লান্ত লাগা।
╰┈➤ কোষ্ঠকাঠিন্যের অবহেলা থেকে যেসব রোগ বা সমস্যা হতে পারে
পাইলস বা অর্শ (Hemorrhoids): এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সবচেয়ে সাধারণ জটিলতা। মলত্যাগের সময় অনবরত অতিরিক্ত চাপ দেওয়ার কারণে মলদ্বারের চারপাশের রক্তনালীগুলো ফুলে যায়, যাকে পাইলস বলা হয়। এর ফলে মলদ্বারে ব্যথা, চুলকানি এবং মলত্যাগের সময় ফোঁটা ফোঁটা রক্তপাত হতে পারে।
অ্যানাল ফিশার বা মলদ্বার ফেটে যাওয়া (Anal Fissure): অতিরিক্ত শক্ত মল যখন জোর করে বের করার চেষ্টা করা হয়, তখন মলদ্বারের ভেতরের নরম চামড়া বা দেয়াল ফেটে বা কেটে যেতে পারে। একে অ্যানাল ফিশার বলে। এর কারণে মলত্যাগের সময় এবং পরে তীব্র ও অসহ্য জ্বালাপোড়া এবং ব্যথা হয়।
তীব্র কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দ্রুত মুক্তি: এটি সেবনের সাধারণত ৬ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পেট পরিষ্কার হয়। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা শক্ত মল নরম হয়ে সহজে বের হয়ে যায়।
পেটের ফাঁপা ভাব ও গ্যাস দূর হওয়া: মল পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার কারণে পেট হালকা লাগে, গ্যাস ও বুক ধকধক করার মতো অস্বস্তি কমে আসে।
অন্ত্রের গতিশীলতা বৃদ্ধি: এটি অন্ত্রের স্বাভাবিক নাড়াচাড়া বা পেরিস্টালসিস (Peristalsis) প্রক্রিয়াকে সাময়িকভাবে উদ্দীপিত করে।